প্রকাশ: ১৯ জুন ২০১৭, ১৩:৪০:২৯

কাপ্তাই ঘুরে চট্টগ্রামের যাত্রীরা যাচ্ছেন রাঙামাটি

চট্টগ্রাম : সাম্প্রতিক সময়ে রাঙামাটির ভারী বর্ষনে কারণে রাঙামাটির সাথে চট্টগ্রামের যোগাযোগের প্রধান সড়কটির ১০০ মিটার রাস্তা ধসে ১৫০ মিটার গভীর খাদে পড়ে গেছে। এর ফলে যাত্রীদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এদিকে ধসে যাওয়া অংশটুকু পুনর্নির্মাণে সেনাবাহিনী ও সওজ কর্তৃপক্ষ এক সাথে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

জানা যায়, রাঙামাটির নানিয়ার চর, বিলাইছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, সাতকানিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের বসবাস-ব্যবসা থাকায় ঈদের আগে বিপর্যয় ঘটায় পরিবার-পরিজনদের উদ্বেগ বেড়েছে। তাই অনেকে বেশি টাকা খরচ হলেও কাপ্তাই হ্রদ লঞ্চে পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রামে আসছেন।

রাঙামাটির তবলছড়ি বাজারে পাহাড়ধসের পর থেকে একপ্রকার আটকা পড়েছেন রাউজান নাতোয়ান বাগিচার ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. লোকমান। তিনি জানান, আমরা ১৩ জন ফার্নিচার তৈরি করে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছিলাম। এরপরই ঘটল বিপর্যয়। গাড়ি চলে না। বাড়িও যেতে পারছি না। এখন শুনছি লঞ্চে কাপ্তাই যাওয়া যাচ্ছে। মালপত্র বাদ দিয়ে নিজেরা বাড়ি ফিরে যাওয়ার চেষ্টায় আছি।

চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের নেতা মনজুরুল আলম মনজু এ প্রসঙ্গে জানান, রাস্তার বড় একটি অংশ ধসে পড়ায় সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তবে চট্টগ্রাম থেকে কিছু বাস ঘাগড়া পর্যন্ত লোকালি যাচ্ছে। সেখান থেকে সিএনজি টোরিকশায় চড়ে, পায়ে হেঁটে জরুরি প্রয়োজনে মানুষ রাঙামাটি যাচ্ছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি রুটে ১৪০টি বাস থাকলেও এখন মাত্র ৬০-৭০টি চলাচল করছে।