যুবলীগকর্মী খুন, হাজী ইকবালসহ আসামি-১৭

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানার যুবলীগকর্মী মো.মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নেতা হাজী ইকবাল ও তার ভাইসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) সকালে নিহত মহিউদ্দিনের মা নুর নেছার বেগম বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বন্দর আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইকবালকে। আসামি করা হয়েছে হাজী ইকবালের ভাই মুরাদকেও।

বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিকাশ সরকার বলেন, ‘যুবলীগকর্মীকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় আওয়ামী লীগনেতা হাজী ইকবাল ও তার ভাইসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যে তানভীর ও মুছা নামে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’

এর আগে গতকাল সোমবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর বন্দর থানার সল্টগোলা ক্রসিংয়ের মেহের আফজাল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি সভা চলাকালীন প্রধান শিক্ষকের রুমে ঢুকে যুবলীগকর্মী মো. মহিউদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ-মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান মুরাদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাসানের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন নিহত মহিউদ্দিন। যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও কোন পদে নেই। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সভাসমাবেশে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতো মহিউদ্দিন।